| Posted on February 4, 2012 at 1:35 PM |
comments (0)
|
সে তো কোন দিন জানতে চায়নি আমি কে? আজ হঠাৎ কেন এ প্রশ্নটি উঠল বুঝতে পারলাম না। কোন দিকে যাচ্ছে সম্পকের গতিপথ। সবসময় না জেনে সব বিষয়ে মন্তব্য করা যায় না। এই বিষয়টি তাকে আজও বোঝানো গেল না। তবুও তাকে ভাল লাগে কিন্তু সে জানে না।
| Posted on April 7, 2011 at 12:28 AM |
comments (0)
|
শেয়ারবাজারে সংঘটিত অনিয়ম খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রীর বাসায় গিয়ে এ প্রতিবেদন জমা দেন তারা। অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে বিকেলে ব্রিফিং করবেন বলে জানা গেছে।
গত ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। পরে আরেকজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
কমিটির সদস্যরা হলেন: বিআইবিএমের মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী, আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী ও ব্যারিস্টার নিহাদ কবির। প্রথমে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন তৈরির কথা বলা হলেও পরে সময় কমিয়ে আনা হয়।
১১ ধরনের বিষয় খতিয়ে দেখার কথা কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়। এগুলো হচ্ছে: ১. পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউস এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানি পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের ব্যাঘাত ঘটিয়ে বাজারকে অস্থিতিশীল করার কাজে লিপ্ত ছিল কি না। ২. ২০১০ সালের শুরুতে ব্যাংক ও সঞ্চয়ের বিভিন্ন উপকরণে বিনিয়োগ হতে লব্ধ আয়ের তুলনায় পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি আয়ের তুলনা। ৩. পুঁজিবাজারের অব্যাহত উর্বর গতির প্রকৃতি পর্যালোচনা, পুঁজিবাজারের টেকসই অবস্থার ধারণা এবং অতিমূল্যায়নের প্রকৃতি নির্ণয়। ৪. পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীর পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদি ক্রেতা-বিক্রেতার অনুপ্রবেশ এবং তাদের লেনদেনের ধরন। এ ধরনের ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের লেনদেনকৃত অর্থের পরিমাণ এবং বাজারকে প্রভাবিত করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা ও এদের চিহ্নিত করা। ৫. পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের প্রচলিত আইন, বিধিবিধান যথাযথ ছিল কি না এবং এসইসির গৃহীত পদক্ষেপগুলো যথাযথ ছিল কি না, তা নিরূপণ করা। ৬. অতিমূল্যায়িত বাজারের সুযোগ নিয়ে সরাসরি তালিকাভুক্তি, বুক বিল্ডিং এবং ফিক্সড প্রাইসের মাধ্যমে অতিমূল্যায়িত শেয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও
এনে অস্বাভাবিক পরিমাণে অর্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি নিরূপণ। এ প্রক্রিয়ায় ইস্যু ম্যানেজার, নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, অডিট ফার্ম ও অ্যাসেট ভ্যালুয়ার কোম্পানির ভূমিকা। ৭. গণপ্রস্তাবে ইস্যুয়ার কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা পর্যালোচনা। ৮. দ্রুত দরপতনের প্রাক্কালে সামগ্রিকভাবে বাজারের তারল্য পর্যালোচনা। ৯. পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি পর্যাপ্ত ছিল কি না, পর্যালোচনা। ১০. ডিএসই ও সিএসইর অবকাঠামো ও সুশাসন যথাযথ ছিল কি না। ১১. অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে কমিটি যথাযথ মনে করলে তা বিবেচনা করবে।
| Posted on April 7, 2011 at 12:28 AM |
comments (0)
|
শেয়ারবাজারে সংঘটিত অনিয়ম খতিয়ে দেখতে গঠিত তদন্ত কমিটি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মন্ত্রীর বাসায় গিয়ে এ প্রতিবেদন জমা দেন তারা। অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে বিকেলে ব্রিফিং করবেন বলে জানা গেছে।
গত ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ও কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। পরে আরেকজন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
কমিটির সদস্যরা হলেন: বিআইবিএমের মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী, আইসিএবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুল বারী ও ব্যারিস্টার নিহাদ কবির। প্রথমে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন তৈরির কথা বলা হলেও পরে সময় কমিয়ে আনা হয়।
১১ ধরনের বিষয় খতিয়ে দেখার কথা কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়। এগুলো হচ্ছে: ১. পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউস এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানি পুঁজিবাজারের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের ব্যাঘাত ঘটিয়ে বাজারকে অস্থিতিশীল করার কাজে লিপ্ত ছিল কি না। ২. ২০১০ সালের শুরুতে ব্যাংক ও সঞ্চয়ের বিভিন্ন উপকরণে বিনিয়োগ হতে লব্ধ আয়ের তুলনায় পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি আয়ের তুলনা। ৩. পুঁজিবাজারের অব্যাহত উর্বর গতির প্রকৃতি পর্যালোচনা, পুঁজিবাজারের টেকসই অবস্থার ধারণা এবং অতিমূল্যায়নের প্রকৃতি নির্ণয়। ৪. পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীর পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদি ক্রেতা-বিক্রেতার অনুপ্রবেশ এবং তাদের লেনদেনের ধরন। এ ধরনের ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের লেনদেনকৃত অর্থের পরিমাণ এবং বাজারকে প্রভাবিত করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা ও এদের চিহ্নিত করা। ৫. পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের প্রচলিত আইন, বিধিবিধান যথাযথ ছিল কি না এবং এসইসির গৃহীত পদক্ষেপগুলো যথাযথ ছিল কি না, তা নিরূপণ করা। ৬. অতিমূল্যায়িত বাজারের সুযোগ নিয়ে সরাসরি তালিকাভুক্তি, বুক বিল্ডিং এবং ফিক্সড প্রাইসের মাধ্যমে অতিমূল্যায়িত শেয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) এনে অস্বাভাবিক পরিমাণে অর্থ উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি নিরূপণ। এ প্রক্রিয়ায় ইস্যু ম্যানেজার, নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, অডিট ফার্ম ও অ্যাসেট ভ্যালুয়ার কোম্পানির ভূমিকা। ৭. গণপ্রস্তাবে ইস্যুয়ার কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তা পর্যালোচনা। ৮. দ্রুত দরপতনের প্রাক্কালে সামগ্রিকভাবে বাজারের তারল্য পর্যালোচনা। ৯. পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ইত্যাদি পর্যাপ্ত ছিল কি না, পর্যালোচনা। ১০. ডিএসই ও সিএসইর অবকাঠামো ও সুশাসন যথাযথ ছিল কি না। ১১. অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে কমিটি যথাযথ মনে করলে তা বিবেচনা করবে।